মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

উপজেলার ঐতিহ্য /বিশেষত্বঃ

তাড়াশ ঐতিহাসিক চলনবিলের মধ্যস্থিত উপজেলা । চলনবিল দৈর্ঘ্যে ৩৩ কিলোমিটার প্রস্থে ১৫ কিলোমিটার। সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ, উলস্নাপাড়া, নাটোর জেলার সিংড়া, গুরম্নদাসপুর, পাবনা জেলার চাটমোহর, ফরিদপুর, ভাঙ্গুড়া উপজেলার সমন্বয়ে চলনবিল অঞ্চল গঠিত। চলনবিল একটি নিম্নভূমি এলাকা । অতীতকালে এই বিল অনেক গভীর ও অত্যন্ত বিপদ-সংকুল ছিল। অনুমান করা হয় যে, প্রায় ৪০০ বৎসর পূর্বে এই বিলটি রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া জেলার অধিকাংশ স্থান জুড়ে ব্রম্মপুত্র ও পদ্মার সঙ্গমস্থলে উত্তর পশ্চিম অংশে বিস্তৃত ছিল। কালের পরিক্রমায় পলি জমে বিলটি ভরাট হয়েছে এবং এর বিভিন্ন চরে বিভিন্ন চরে গ্রাম গড়ে উঠেছে। অবস্থান, আকৃতি-প্রকৃতি দেখে চলনবিলকে উত্তর বাংলার নদ-নদী স্নায়ুজালের নাভীকেন্দ্র বললে অত্যুক্তি হবে না। সার্বক্ষণিক বিশাল বিলের পানি চলনমান বা প্রবাহমান থাকার কারণে এই বিলের নাম হয় চলনবিল।

 

রায় উপাধিকারী জমিদার, সম্ভ্রান্ত বাþণ, কায়স্থ, নাগ বংশীয় সেবাইত এবং মোঘল-নবাবী আমলের মুসলীম ঐতিহ্যে পরিপূর্ণ তাড়াশ। জমিদার বনমালী রায় বাহাদুর চলনবিলকে জঙ্গল ও বন্য জন্তুর কবলমুক্ত করার লক্ষ্যে ভারতের ছোট নাগপুরের সাঁওতাল পরগনা হতে অনেক সাঁওতাল ও অন্যান্য আদিবাসীকে এনে তাড়াশ থানায় তাদের বাসস্থান করে দেন। অন্যান্য আদিবাসীদের মধ্যে সিং, উরাঁও ও মাহাতো উল্লেখযোগ্য। এই উপজেলায় বর্তমানে আদিবাসীদের মোট জনসংখ্যা প্রায় ২৫,০০০ জন।


Share with :

Facebook Twitter